টানা সপ্তম জয়ে কুমিল্লাকে হারিয়ে ফাইনালে উঠল সাকিবের বরিশাল

আজ ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছে সাকিব। তবে জয়য় পেয়েছে তাঁর দল। প্রথম কোয়ালিফায়ারে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ১০ রানে হারিয়েছে বরিশাল। প্রথম কোয়ালিফায়ারে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে ফরচুন বরিশাল।

ব্যাট হাতে শুভ সূচনা করেন ক্রিস গেইল ও মুনিম শাহরিয়ার। তাদের ৫৮ রানের জুটি ভাঙেন শহিদুল ইসলাম। ১৯ বলে ২২ রান করে বিদায় নেন গেইল। দ্বিতীয় উইকেটে ১৮ বলে ২৬ রান যোগ করেন মুনিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। মারমুখী ভঙ্গিতে থাকা মুনিম বড় শট খেলতে গিয়েই তানভীরের বলে এলবিডব্লিউ হন।

মাঠ ছাড়ার আগে মুনিম করেন ৩০ বলে ৪৪ রান। মারকুঠে এই ব্যাটারের উইলো থেকে আসে দুইটি চার ও চারটি ছক্কা। সাকিব আল হাসান নেমেই নিজের ভুলেই রান-আউট হন। ২ বলে ১ রান করেন তিনি। শুরু হয় বরিশালের টানা উইকেট হারানো! ৮৪ রানের দ্বিতীয় উইকেট হারানোর পর ৯৪ রানের মধ্যে বরিশাল হারিয়ে ফেলে পাঁচটি উইকেট।

শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৩ রান সংগ্রহ করতে পারে বরিশাল। ডোয়াইন ব্রাভো ২১ বলে ১৭ রানের ধীরগতির ইনিংস খেলেন। কুমিল্লার পক্ষে শহিদুল তিনটি এবং মঈন দুইটি উইকেট শিকার করেন।

ফাইনালে যাওয়ার লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৬২ রানের সংগ্রহ পায় কুমিল্লা। তবে ৩০ বলে ২০ রানের ধীরগতির ইনিংস খেলেন মাহমুদুল হাসান জয়। জয়কে মেহেদী হাসান রানা বোল্ড করার পর টানা তিনটি উইকেট হারিয়ে ফেলে কুমিল্লা। ৬৮ রানে ৩ উইকেট হারায় কুমিল্লা। ৩৫ বলে ৩৮ রান করেন লিটন দাস।

চতুর্থ উইকেটে মঈন ও ফাফ ডু প্লেসি গড়েন ২১ বলে ৩৬ রানের জুটি গড়েন। মঈনকে বোল্ড করে এই জুটি ভাঙেন ডোয়াইন ব্রাভো। ১৫ বলে ২২ রান করেন মঈন, হাঁকান তিনটি ছক্কা। ১৫ বলে ২১ রান করে দলের প্রয়োজনের সময়েই ক্যাচ আউট হয়ে যান ডু প্লেসিও।

জয়ের জন্য শেষ ওভারে কুমিল্লার প্রয়োজন ছিল ১৮ রান। বোলিংয়ে আসেন মুজিব উর রহমান। দ্বিতীয় বলে ছক্কা মারার পর ইনিংসের এক বল বাকি থাকতেই আউট হয়ে যান সুনীল নারাইন। সেই সাথে বরিশালের জয় নিশ্চিত হয়।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*