বিপিএলের অষ্টম আসরের ৭টি বিতর্কিত কাণ্ড

শেষ হয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অষ্টম আসর। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় আসর বিপিএল। বিপিএলের প্রতি আসরই বিতর্ক হয়। এবারের আসরও বিতর্ক থেকে মুক্তি পায়নি। বিপিএলের অষ্টম আসরের বিতর্কের শুরুটা বিসিবিকে দিয়েই।

ঢাকা দলের মালিক নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। এক পর্যায়ে জানা যায় ঢাকা দলের দায়িত্বে থাকবে বিসিবি। এরপর অবশ্য ঢাকার দায়িত্ব মিনিস্টার গ্রুপের কাছে দিয়ে দেয় বিসিবি। এরপর চট্টগ্রাম পর্বে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। হুট করেই অধিনায়ক পরিবর্তন করে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

ঘরের মাঠে মেহেদী হাসান মিরাজকে সরিয়ে নাঈম ইসলামকে অধিনায়ক করে চট্টগ্রাম। শেষের দিকে নাঈমকে বাদ দিয়ে অধিনায়ক করা হয় আফিফ হোসেনকে। নেতৃত্ব হারিয়ে ক্ষোভে টিম হোটেল ও বিপিএল ছাড়তে চেয়েছিলেন মিরাজ। শেষ পর্যন্ত বিসিবির হস্তক্ষেপে তা করেননি তিনি।

এদিকে চট্টগ্রামেই ঢাকার অনুশীলনে মাঠে নেমে পড়ে হেলিকপ্টার। তবে রোগী বহনের জন্য হেলিকপ্টার নামায় এ নিয়ে বেশি আলোচনা হয়নি। এবারের আসরে বিতর্কে নাম জড়ায় তাসকিন আহমেদের। সিলেটের জার্সিতে কয়েক ম্যাচ খেলার পর পুরো পারিশ্রমিক চেয়ে বসেন তিনি। তবে ভুল বোঝাবুঝির দোহাই দিয়ে শেষ হয় এ বিতর্ক।

সিলেট পর্বেও বিতর্ক শুরু হয়। দলটির অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় মোসাদ্দেক হোসেনকে। অধিনায়ক করা হয় রবি বোপারাকে। তার মাধ্যমের বিপিএলে প্রথমবার বল টেম্পারিংয়ের অভিযোগ উঠে। এ নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

যেখানে বিতর্ক থাকবে সেখানে থাকবে সাকিব আল হাসানের নাম। ফাইনালের আগের দিন ট্রফি নিয়ে অফিসিয়াল ফটোসেশনে ছিলেন না বরিশালের অধিনায়ক সাকিব। ফটোসেশন বাদ দিয়ে বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। সব মিলিয়ে অষ্টম আসর নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*